April 20, 2024, 8:08 pm

সাংবাদিক আবশ্যক
সাতক্ষীরা প্রবাহে সংবাদ পাঠানোর ইমেইল: arahmansat@gmail.com
শিরোনাম:
কলারোয়া উপজেলা চাকুরীজীবি কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের সাধারণ সভা সাতক্ষীরায় তীব্র তাপদাহে জনজীবন অতিষ্ট কলারোয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে দ্বিতীয় স্ত্রী ঝর্ণা খাতুনের আত্মহত্যা সাতক্ষীরায় সুন্দরবনে হঠাৎ বাঘের আক্রমণে মৌয়াল নিহত সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রচার-প্রচারনায় ব্যাস্ত সময় পার করছেন প্রভাষক এম সুশান্ত গণভবনের শাক-সবজি কৃষক লীগ নেতাদের উপহার দিলেন শেখ হাসিনা তালায় পানি নিষ্কাশন এর খাল বন্ধ করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলারোয়ায় তৃতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলা শ্যামনগরে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার জীবাশ্ম জ্বালানিতে বিনিয়োগ বন্ধের দাবিতে শ্যামনগরে ধর্মঘট
পর্দা নামলো আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসবের

পর্দা নামলো আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসবের

‘ফ্রেমে ফ্রেমে আগামী স্বপ্নে’ স্লোগানে চিলড্রেন’স ফিল্ম সোসাইটি বাংলাদেশ এর আয়োজনে গত ৩০ জানুয়ারি শুরু হয়েছিল ৭ দিনব্যাপি ১৪তম আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসব বাংলাদেশ ২০২১। ১৪তম আসরে সিনেমা দেখার জন্য কোনো ধরনের প্রবেশমূল্য না থাকলেও এ বছর করোনাভাইরাসের কারণে মাস্ক পরিধানকে চলচ্চিত্র উৎসবের টিকেট হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিলো। ৫ ফেব্রুয়ারি ছিলো উৎসবটির শেষ দিন। উৎসবের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উৎসব পরিচালক ফারিহা জান্নাত মিম, আলোচক হিসেবে উপিস্থিত ছিলেন আয়োজক কমিটির নির্বাহী সদস্য আবীর ফেরদৌস মুখর। প্রধান অতিথি হিসেবে উপিস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, এছাড়া ছিলেন মসিহউদ্দিন শাকের, সাদিয়া খালিদ রীতি, আরিফুর রহমান, শতাব্দী ওয়াদুদ, পধসূন রহমান, আকরাম খান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘সবার উচিৎ শিশুদের মাঝে চলচ্চিত্রের চর্চাকে জাগ্রত করা, শিশুদের মাঝে ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের চেতনা, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আছে বলেই করোনাভাইরাসের দূর্যোগের মাঝেও শত বাধা পেরিয়ে এই চলচ্চিত্র উৎসব সফল ভাবে আয়োজন করতে সক্ষম হয়েছে। এই আয়োজন আগামী বছর সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে সরকারিভাবে ৫০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হবে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে লিয়াকত আলী লাকী বলেন ‘আমার কর্ম জীবনে শিশুদের এমন দক্ষ আয়োজন আর কোথাও দেখিনি, যেটা ১৪তম আর্ন্তজাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসবে এসে দেখলাম। পরে আমন্ত্রিত অতিথিরা সেরা ক্ষুদে নির্মাতাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।’

বাংলাদেশী শিশু নির্মাতাদের প্রতিযোগিতা বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে:
১. টেনোর
২. ত্রিকোণমিতি
৩. ঠোঙা
৪. পুপেটিধ
৫. এন ইন্টারভিউ অফ এ মারিওনেট্টি

তরুণ বাংলাদেশী নির্মাতাদের বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে:
১. মাটি এবং বিশেষ পুরষ্কার পেয়েছে
২. লটারি

সামাজিক চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতা বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে:
এ নিউ নর্মাল

আর্ন্তজাতিক শিশু নির্মাতাদের বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে:
স্লো (তুর্কি)

আন্তর্জাতিক ফিচার ফিল্ম বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে:
জেকি এন্ড ওওপজেন (নেদারল্যান্ড)

আন্তর্জাতিক শর্ট ফিল্ম বিভাগেপুরস্কার পেয়েছে:
আন্ডার দ্য স্টরক’স নেস্ট (আর্মানিয়া)

আর্ন্তাজাতিক বিভাগের সেরা নির্মাতার পুরস্কার পেয়েছে:
চলচ্চিত্র নির্মাতা: আনি ওগানেস্যান।
চলচ্চিত্র: আন্ডার দ্য স্টরক’স নেস্ট (আর্মানিয়া)

এবারের উৎসবে ঢাকার মোট ৩টি ভেন্যুতে ৩৭টি দেশের ১৭৯টি শিশুতোষ চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়েছে। শাহবাগের কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির শওকত ওসমান মিলনায়তনে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তন, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সকাল ১১টা, দুপুর ২টা, বিকেল ৪টা ও সন্ধ্যা ৬টায় মোট ৪ বার চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়েছে। প্রতিটি প্রদর্শনীতে একাধিক শিশুতোষ চলচ্চিত্র দেখানো হয়েছে।

উৎসবটির অন্যতম আকর্ষণীয় বিভাগ হিসেবে ছিল বাংলাদেশী শিশুদের নির্মিত প্রতিযোগিতা বিভাগ। এই বিভাগে ৬১টি চলচ্চিত্রের মধ্যে নির্বাচিত ১৯টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়েছে, এই ১৯টি চলচ্চিত্রের ৫টি চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছে।

পুরস্কারের জন্য গঠিত ৫ সদস্যের জুরি বোর্ডে ছিল সবাই শিশু-কিশোর। অর্থাৎ ছোটদের নির্মিত শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রগুলো বাছাই করেছে ছোটরাই। ‘ইয়ং বাংলাদেশী ট্যালেন্ট’ শীর্ষক বিভাগে ১৯ থেকে ২৫ বছর বয়সী তরুণ নির্মাতারা অংশ নিয়েছিলেন।

মুুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষ্যে ছিল ‘মুক্তির চলচ্চিত্র’ শিরোনামে বিশেষ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী বিভাগ। একই সাথে ছিল আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা বিভাগ, এ বিভাগে জমা পড়েছিলো ৮১টি দেশের ১১১৬টি চলচ্চিত্র, যার মধ্যে উৎসব কমিটির দ্বারা প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতার জন্য নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশসহ অন্যান্য ৩৭টি দেশের মোট ১১৬টি চলচ্চিত্র।

গত বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও বিভিন্ন দেশের শিশুদের বানানো চলচ্চিত্র নিয়ে ছিল প্রতিযোগিতা বিভাগ, যেখান থেকে একটি চলচ্চিত্রকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নতুন একটি সামাজিক চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতা বিভাগ রাখা হয়েছিল ‘নিউ নরমাল’ শিরোনামে।

উৎসবে প্রতিনিধিদের জন্য বিভিন্ন কর্মশালা ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছিল এবার মোট ৪টি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এবারের উৎসবটি ৩০ জানুয়ারি উদ্বোধন করেছিলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, এমপি এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি পধতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, এমপি।


Comments are closed.

ইমেইল: arahmansat@gmail.com
Design & Developed BY CodesHost Limited
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com