July 23, 2024, 5:56 pm

সাংবাদিক আবশ্যক
সাতক্ষীরা প্রবাহে সংবাদ পাঠানোর ইমেইল: arahmansat@gmail.com
শিরোনাম:
সাতক্ষীরা থানায় হামলার চেষ্টা, পুলিশের লাঠিচার্জ ও ফাঁকা গুলি কলারোয়ার ওয়াজেদ সরদার স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্ধোধন যশোরে ডিবি পুলিশের অভিযানে পিস্তলসহ যুবক আটক বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি হবে : প্রধানমন্ত্রী মোটরসাইকেল নিয়ে দ্বন্দ্বে ঘরে ঢুকে যুবককে গুলি করে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ সাতক্ষীরায় কোটা বিরোধীদের সাথে ছাত্রলীগের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া কোটা বহালে হাইকোর্টের রায় বাতিল চেয়ে লিভ টু আপিল আমার নানা-দাদা মুক্তিযোদ্ধা, আমার কোটা লাগে না : মিষ্টি জান্নাত সাতক্ষীরায় কোটা আন্দলনকারী ও ছাত্রলীগ মুখোমুখি অবস্থানে বেনা‌পো‌লে ঘোষণা বহির্ভূত ১৫ হাজার ৭৫০ কেজি সালফিউরিক এসিড জব্দ
প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলতে চান সাঈদীর মামলার বাদী

প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলতে চান সাঈদীর মামলার বাদী

প্রায় পাঁচ-ছয় বছর ধরে আমার বসতঘরের সামনের রুমটি পুলিশ ক্যাম্প। আমার নিরাপত্তার জন্য চারজন পুলিশ থাকে। ঘরের লোকদের গোপনীয়তা, স্বাধীনভাবে চলাফেরা বলতে কিছু আর নেই। পুলিশ ছাড়া কোথাও বের হওয়া যায় না। সামান্য বাজার করতে গেলেও সঙ্গে পুলিশ নিতে হয়। যেখানে হেঁটে যাওয়া যায়, সেখানে দুইটা রিকশা নিতে হয়। তাতে মাসে যাতায়াত খরচ হয় অন্তত দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা। আমার এই যন্ত্রণা কে দেখবে?,’ এভাবেই নিজের দুর্বিষহ জীবনের কথা জানালেন দেলওয়ার হোসেন সাঈদীর বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী মাহবুবুল আলম হাওলাদার।

মাহবুবুল আলম হাওলাদার গত ১৩ দিন ধরে গণভবনের সামনে আছেন। উদ্দেশ্য প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করে নিজের কষ্টের কথা জানানো। তিনি হার্টের রোগী, আছে ডায়াবেটিসও। অর্থকষ্টের কারণে প্রায় আটলাখ টাকা দেনা হয়ে গেছে তার অথচ উপার্জন বলতে সম্বল মুক্তিযোদ্ধা ভাতা হিসেবে মাসিক ১২ হাজার টাকা। এমন অবস্থায় পরিবার-পরিজন নিয়ে চোখে অন্ধকার দেখছেন তিনি। এলাকার নেতাদের সাথে কথা বলে কোন লাভ হয় নি তাই ১৩ দিন ধরে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের আশায় বসে আছেন। মাহবুবুল আলমের একটাই প্রশ্ন, একজন রাজাকার কারাগারে আরামে বসে আমৃত্যু কারাদণ্ড ভোগ করছে কিন্তু এই মামলার বাদী হয়েও কেন তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারছেন না?


Comments are closed.

ইমেইল: arahmansat@gmail.com
Design & Developed BY CodesHost Limited
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com