May 27, 2024, 12:03 pm

সাংবাদিক আবশ্যক
সাতক্ষীরা প্রবাহে সংবাদ পাঠানোর ইমেইল: arahmansat@gmail.com
শীতের শুরুতেই গরম কাপড়ের দোকানে ক্রেতাদের ভীড়

শীতের শুরুতেই গরম কাপড়ের দোকানে ক্রেতাদের ভীড়

শীতের মৌসুম শুরু হয়েছে। প্রকৃতির নিয়মে এ বছরের জন্য আপতত গরমের বিদায় হয়েছে। রাতের কুয়াসা আর উত্তরের হিমেল বাতাস একটু একটু করে শীতের তীব্রতাকে বাড়িয়ে তুলছে। শীতের তীব্রতা থেকে মানুষ গরম কাপড়ের দোকনে অগ্রীম ভীড় জমাতে শুরু করেছে। বিত্তবানরা ছুটছে বড় বড় শপিং মলে। মধ্যবিত্ত ও নিন্ম আয়ের মানুষের ভীড় দেখা যায় ফুটপাত আর পুরাতন মার্কেটের দোকনে। শনিবার (২১ নভেম্বর) সকালে বৃষ্টির পর থেকে দেশের তাপমাত্রা কমে যায়। তাপমাত্রা কমে যাওয়ার কারণে খুলনার শপিংমল ও পুরাতন কাপড়ের দোকনিরা তাদের দোকানে সোয়েটার, জ্যাকেট, মফলার, টুপি তুলতে শুরু করেছে। বড় শপিংমল থেকে ক্রেতাদের বেশি দেখা যাচ্ছে খুলনায় গরীব মানুষের বিপনী হিশাবে পরিচিত নিক্সন মার্কেটে।

রবিবার (২২ নভেম্বর) সরেজমিনে এমন দৃশ্যের দেখা মেলে। শীতের কাপড় ক্রয়ে মার্কেটে ভীড় জমাতে শুরু করেছে সব শ্রেনীর ক্রেতারা। দোকানিরা বলছেন, এ বছরের শুরু থেকে নানা প্রতিকূলতার কারণে তারা ব্যবসা তেমন করতে পারেনি। শীতের শুরুতে ক্রেতাদের যেমন সমাগম দেখছি, মনে হয় সবকিছু আগের মতো হয়ে গেছে। খুলনা মহানগরীর নিক্সন মর্কেটের মধ্যে রয়েছে আব্দুল জব্বার বিপনী বিতান। যেটি পুরাতন কাপড়ের মার্কেট হিসেবে খুলনা মানুষের কাছে ব্যাপক পরিচিত। রবিবার সেখানে ছিল ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়। ক্রেতাদের সামাল দিতে দোকানে কর্মরতদের রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়েছে।

মার্কেটের দোকানী ইসমাঈল জানান, দোকানে দেশী ও বিদেশী সব ধরনের গরম কাপড় পাওয়া যায়। তবে ক্রেতারা বিদেশী জ্যাকেট ও সোয়েটারের প্রতি বেশ ঝুঁকছে। আমরা গত দু’দিন আগে দোকানে গরম কাপড় ওঠাতে শুরু করেছি। গতকয়েক দিন আগে দোকানে তেমন কাপড় বিক্রি হয়নি। তবে আজ দু’দিন ক্রেতাদের আগমন একটু বেশি। বর্তমানে জ্যাকেট ও সোয়েটার বিক্রি বেশি হচ্ছে। মার্কেটের আরেকএক দোকনী বলেন, মৌসুমের ব্যবসা শুরু হয়ে গেছে। তার দোকানে সব বয়সী মানুষের গরম কাপড় রয়েছে।

রুপসা থেকে মার্কেটে আসেন আবু শাহাদাৎ রনি। তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, আজ দু’দিন হলো আমাদের এলাকায় শীত শহরের তুলনায় একটু বেশি। বিকালের পর থেকে কুয়াশা দেখা যায়। শীত মানে বাড়তি ঝামেলা। নিজেকে শীতের প্রকোপ থেকে রক্ষার জন্য তিনি একটি জ্যাকেট ক্রয় করেছেন। তবে গতবারের তুলনায় এবার গরম কাপড়ের দাম একটু বেশি নিয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। বেশি দাম নেওয়ার কারণ জনতে চাইলে দোকানি করোনাভাইরাসের দোহায় দেন।

অন্যদিকে নিন্ম আয়ের মানুষ খুলনা স্টেডিয়াম মার্কেটের সামনে থেকে সাধ এবং সাধ্যের মধ্যে তাদের প্রিয়জনের জন্য কাপড় ক্রয় করছেন। রহিম নামের একজন ভ্যান চালক আইচগাতি থেকে এসেছিলেন তার পরিবারের জন্য গরম কাপড় ক্রয় করতে। দাম সস্তা থাকায় তিনি এখান থেকে গরম কাপড় ক্রয় করে খুব খুশি।

শীতের মৌসুম শুরু হয়েছে। প্রকৃতির নিয়মে এ বছরের জন্য আপতত গরমের বিদায় হয়েছে। রাতের কুয়াসা আর উত্তরের হিমেল বাতাস একটু একটু করে শীতের তীব্রতাকে বাড়িয়ে তুলছে। শীতের তীব্রতা থেকে মানুষ গরম কাপড়ের দোকনে অগ্রীম ভীড় জমাতে শুরু করেছে। বিত্তবানরা ছুটছে বড় বড় শপিং মলে। মধ্যবিত্ত ও নিন্ম আয়ের মানুষের ভীড় দেখা যায় ফুটপাত আর পুরাতন মার্কেটের দোকনে। শনিবার (২১ নভেম্বর) সকালে বৃষ্টির পর থেকে দেশের তাপমাত্রা কমে যায়। তাপমাত্রা কমে যাওয়ার কারণে খুলনার শপিংমল ও পুরাতন কাপড়ের দোকনিরা তাদের দোকানে সোয়েটার, জ্যাকেট, মফলার, টুপি তুলতে শুরু করেছে। বড় শপিংমল থেকে ক্রেতাদের বেশি দেখা যাচ্ছে খুলনায় গরীব মানুষের বিপনী হিশাবে পরিচিত নিক্সন মার্কেটে।

রবিবার (২২ নভেম্বর) সরেজমিনে এমন দৃশ্যের দেখা মেলে। শীতের কাপড় ক্রয়ে মার্কেটে ভীড় জমাতে শুরু করেছে সব শ্রেনীর ক্রেতারা। দোকানিরা বলছেন, এ বছরের শুরু থেকে নানা প্রতিকূলতার কারণে তারা ব্যবসা তেমন করতে পারেনি। শীতের শুরুতে ক্রেতাদের যেমন সমাগম দেখছি, মনে হয় সবকিছু আগের মতো হয়ে গেছে। খুলনা মহানগরীর নিক্সন মর্কেটের মধ্যে রয়েছে আব্দুল জব্বার বিপনী বিতান। যেটি পুরাতন কাপড়ের মার্কেট হিসেবে খুলনা মানুষের কাছে ব্যাপক পরিচিত। রবিবার সেখানে ছিল ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়। ক্রেতাদের সামাল দিতে দোকানে কর্মরতদের রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়েছে।

মার্কেটের দোকানী ইসমাঈল জানান, দোকানে দেশী ও বিদেশী সব ধরনের গরম কাপড় পাওয়া যায়। তবে ক্রেতারা বিদেশী জ্যাকেট ও সোয়েটারের প্রতি বেশ ঝুঁকছে। আমরা গত দু’দিন আগে দোকানে গরম কাপড় ওঠাতে শুরু করেছি। গতকয়েক দিন আগে দোকানে তেমন কাপড় বিক্রি হয়নি। তবে আজ দু’দিন ক্রেতাদের আগমন একটু বেশি। বর্তমানে জ্যাকেট ও সোয়েটার বিক্রি বেশি হচ্ছে। মার্কেটের আরেকএক দোকনী বলেন, মৌসুমের ব্যবসা শুরু হয়ে গেছে। তার দোকানে সব বয়সী মানুষের গরম কাপড় রয়েছে।

রুপসা থেকে মার্কেটে আসেন আবু শাহাদাৎ রনি। তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, আজ দু’দিন হলো আমাদের এলাকায় শীত শহরের তুলনায় একটু বেশি। বিকালের পর থেকে কুয়াশা দেখা যায়। শীত মানে বাড়তি ঝামেলা। নিজেকে শীতের প্রকোপ থেকে রক্ষার জন্য তিনি একটি জ্যাকেট ক্রয় করেছেন। তবে গতবারের তুলনায় এবার গরম কাপড়ের দাম একটু বেশি নিয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। বেশি দাম নেওয়ার কারণ জনতে চাইলে দোকানি করোনাভাইরাসের দোহায় দেন।

অন্যদিকে নিন্ম আয়ের মানুষ খুলনা স্টেডিয়াম মার্কেটের সামনে থেকে সাধ এবং সাধ্যের মধ্যে তাদের প্রিয়জনের জন্য কাপড় ক্রয় করছেন। রহিম নামের একজন ভ্যান চালক আইচগাতি থেকে এসেছিলেন তার পরিবারের জন্য গরম কাপড় ক্রয় করতে। দাম সস্তা থাকায় তিনি এখান থেকে গরম কাপড় ক্রয় করে খুব খুশি।


Comments are closed.

ইমেইল: arahmansat@gmail.com
Design & Developed BY CodesHost Limited
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com