June 23, 2024, 3:55 am

সাংবাদিক আবশ্যক
সাতক্ষীরা প্রবাহে সংবাদ পাঠানোর ইমেইল: arahmansat@gmail.com
সাতক্ষীরাকে জলবায়ু উপদ্রুত এলাকা ও বিশেষ বরাদ্ধ ঘোষণার দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ

সাতক্ষীরাকে জলবায়ু উপদ্রুত এলাকা ও বিশেষ বরাদ্ধ ঘোষণার দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ

ডেস্ক:  ২৬ সেপ্টেম্বর লিডার্স আয়োজিত বিশ্ব জলবায়ু কর্মসূচী সপ্তাহ ২০১৯ এর ৬ষ্ঠ দিনে জলবায়ু উপদ্রুত এলাকা ও বিশেষ বরাদ্ধ ঘোষণার দাবীতে উপকূলীয় এলাকার যুব ও সুশীল সমাজ ও সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির উদ্যোগে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করা হয়। মানববন্ধন শেষে পদযাত্রা করে জেলা প্রশাসক মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। মানববন্ধন অনুষ্ঠানে স্বদেশ এর নির্বাহী পরিচালক মাধব দত্ত সঞ্চালনায় বক্তব্য প্রদান করেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি অধ্যাপক আবু আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মমতাজ আহম্দে বাপী, সাতক্ষীরা নাগরিক কমিটির সভাপতি আনিছুর রহিম, সাতক্ষীরা জেলা এটিএন বাংলা প্রতিনিধি এম. কামরুজ্জামান, প্রথম ্আলো সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যানার্জি, লিডার্স এর নির্বাহী পরিচালক মোহস কুমার মন্ডল ও বারসিক সাতক্ষীরা জেলা প্রধিনিধি। বক্তব্য শেষে বক্তরা পদযাত্রা করে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর উপকূলীয় এলাকার জন্য বিশেষ বরাদ্ধ এর জন্য ১৪ টি দাবী পেশ করা হয়।দাবীগুলো হলো দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় এলাকাকে জলবায়ু উপদ্রত এলাকা ঘোষণা এবং বিশেষ বরাদ্দ প্রদানের ব্যবস্থা করা। দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় এলাকায় জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ঘূর্ণীঝড় আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করা। স্থায়ীত্বশীল উপকূলীয় ভেড়ীবাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা করা। উপকূলীয় এলাকায় প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে জলবায়ু ও দূর্যোগ তহবিল গঠন করা। ঘধঃরড়হধষ অফধঢ়ঃধঃরড়হ চষধহ (ঘঅচ) এর অধীনে ইউনিয়ন পর্যায়ে স্থানীয় অভিযোজন পরিকল্পনা খড়পধষ অফধঢ়ঃধঃরড়হ চষধহ (খঅচ) প্রণয়ন করা। উপকূলীয় এলাকার সকল মানুষের খাবার পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। উপকূলীয় জনপদের রক্ষা ঢাল সুন্দরবন ও জীববৈচিত্র সুরক্ষায় অধিকতর কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা।জলাবদ্ধতা নিরসনে আধুনিক কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা। উপকূলীয় এলাকায় বিস্তীর্ন এক ফসলী জমিকে দুই ফসলের আওতায় নিয়ে আসার জন্য বৃহদাকার জলাধার নির্মাণ করে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করা। চিংড়ি চাষের কারনে প্রান্তিক কৃষকের জমি হারানো রোধ করা। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভ’মিহীনদের মাঝে খাসজমি বন্দোবস্ত দেয়া। দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় এলাকার জলাবায়ু কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতা নিশ্চিত করা। ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় জলবায়ু পরিবর্তনকে মূখ্য উন্নয়ন নিয়ামক/ উপজীব্য হিসেবে বিবেচনা করা। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জলবায়ু সহনশীল উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা। বাংলাদেশের যুব-নেতৃত্বাধীন জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু সমাধানের জন্য সবুজ উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য নির্দিষ্ট বরাদ্দ সহ টেকসই সুযোগ সৃষ্টি করা। স্মারকলিপি প্রদান শেষে লিডার্স এর নির্বাহী পরিচালকের সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ করা হয়।


Comments are closed.

ইমেইল: arahmansat@gmail.com
Design & Developed BY CodesHost Limited
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com