June 18, 2024, 10:17 pm

সাংবাদিক আবশ্যক
সাতক্ষীরা প্রবাহে সংবাদ পাঠানোর ইমেইল: arahmansat@gmail.com
শিরোনাম:
সাতক্ষীরা উপকূলের ৮৫ হাজার মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে, সতর্ক প্রশাসন

সাতক্ষীরা উপকূলের ৮৫ হাজার মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে, সতর্ক প্রশাসন

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় সাতক্ষীরা উপকূলের ৮৫ হাজার মানুষকে নিরাপদে আশ্রয় কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।শনিবার (৯ নভেম্বর) সকালে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারির পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে তাদেরকে সাইক্লোন শেল্টারে আনা হচ্ছে।যদিও দুর্যোগ সতর্কতা সংকেত জারি ও মাইকিং করে আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার আহবান জানানো হলেও প্রথমে সাধারণ মানুষ ততটা সাড়া দেয়নি।এদিকে, টানা বৃষ্টি উপেক্ষা করে সকাল থেকেই সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এসএম জগলুল হায়দার, শ্যামনগর উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম আতাউল হক দোলন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান উপকূলীয় দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরা, পদ্মপুকুর, বুড়িগোয়ালিনী, মুন্সীগঞ্জসহ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষকে সাইক্লোন সেল্টারে নেওয়ার তৎপরতা চালাচ্ছেন।একই সাথে দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরা ও পদ্মপুকুরের মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে আনার জন্য জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চারটি বাসও দেওয়া হয়েছে।উপকূলীয় এলাকায় অনবরত চলছে মাইকিং। প্রতিটি এলাকায়ই তোলা হয়েছে সতর্কতামূলক ফ্লাগ।তেমনি শুক্রবার মধ্যরাত থেকে কালিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী ও ইউএনও মোজাম্মেল হক রাসেল এবং শনিবার ভোর থেকে তালার ইউএনও ইকবাল হোসেন এলাকায় এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার অনুরোধ করছেন।অন্যদিকে, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী শুক্রবার থেকে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। সেই সাথে উপকূলীয় শ্যামনগরে ও আশাশুনিতে বেশ দমকা বাতাসও বইছে।

তবে, শ্যামনগর উপজেলার গাবুরার গাবুরা, হরিশখালী, নাপিতখালী, জেলেখালী, বুড়িগোয়ালীনির দুর্গাবটি পোড়াকাটলা, ভামিয়া ও দুর্গাবাটি এলাকার বেড়িবাঁধ মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া কৈখালীর বিভিন্ন অংশ এবং কাশিমাড়ী ও দাতিনাখালীসহ পদ্মপুকুরের কয়েকটি অংশের বাঁধের দুরাবস্থাও চরমে। বাঁধ ভেঙে জলোচ্ছ্বাসের আশংকায় রয়েছে এলবাবাসী।এদিকে, দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় উপকূলীয় এলাকায় সমন্বিতভাবে কাজ করছে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, নৌ বাহিনী ও কোস্টগার্ড।কোস্টগার্ডের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সুন্দরবনের মধ্যে এবং লোকালয় থেকে বিচ্ছিন্ন একমাত্র গ্রাম গোলাখালী থেকে ৬৮৫জন মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনা হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল জানান, শনিবার দুপুর ১টা পর্যন্ত উপকূলীয় এলাকার ৮৫ হাজার মানুষকে নিরাপদে আশ্রয় কেন্দ্রে আনা হয়েছে।তিনি আরও জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবেলায় মানুষের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য জেলার সবকটি আশ্রয় কেন্দ্রসহ ১২শ স্কুল কলেজ খোলা রাখা হয়েছে। প্রত্যেক এলাকায় মেডিকেল টিম প্রস্তুত রয়েছে। একই সাথে আশ্রিতদের জন্য পর্যাপ্ত শুকনা খাবারও রাখা হয়েছে।


Comments are closed.

ইমেইল: arahmansat@gmail.com
Design & Developed BY CodesHost Limited
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com